খুঁজুন
শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫, ২২ চৈত্র, ১৪৩১

স্বর্ণের দাম

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, বাড়তে পারে দেশের বাজারেও

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:২৪ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, বাড়তে পারে দেশের বাজারেও

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম। প্রথমবারের এক আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৮০০ ডলার স্পর্শ করেছে। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের এমন দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে দেশের বাজারেও দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে বিশ্ববাজারে যে হারে বেড়েছে, দেশের বাজারে সেই হারে বাড়েনি। ফলে দেশের বাজারে সোনার দাম আরও বাড়তে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এ বাজুসের দায়িত্বশীল এক সদস্য জানান, বিশ্ববাজারে এক আউন্স স্বর্ণের দাম যে কোনো সময় ২ হাজার ৮০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে অনেক আগেই ধারণা করা হয়েছিল; কিন্তু কয়েক দফা দুই হাজার ৮০০ ডলারের কাছাকাছি গিয়ে ফিরে আসে। গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো এক আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৮০০ ডলার স্পর্শ করেছে।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার কারণে দেশের বাজারেও গত সপ্তাহে দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে বিশ্ববাজারে যে হারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে, তাতে দেশের বাজারে যেকোনো সময় আবার দাম বাড়তে পারে। আর দেশের বাজারে এখন স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলে, বিশ্ববাজারের পাশাপাশি দেশের বাজারে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে।

বিশ্ববাজারের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে লেনদেন শুরু হওয়ার আগে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ২ হাজার ৭৭০ ডলার। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেনের একপর্যায়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭৩১ ডলারে নেমে যায়। তবে এরপর আবার দাম বাড়ার প্রবণতা শুরু হয়। ২৯ জানুয়ারি প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭৬০ ডলারে উঠলে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাজুস।

২৯ জানুয়ারি বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে পরের দিন ৩০ জানুয়ারি থেকে সোনার নতুন দাম কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাজুসের এ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৩৬৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯১ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৩০৭ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়ে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ৯৫৬ টাকা বাড়িয়ে ৯৬ হাজার ১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বাজারে এ দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসার পর বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪০ ডলারের মতো বেড়ে গেছে। সপ্তাহ শেষে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯৭ ডলার। অবশ্য সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেনের একপর্যায়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৮১৫ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়। এর আগে কখনো এক আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৮০০ ডলার হয়নি।

বিশ্ববাজারে এতদিন এক আউন্স সোনার সর্বোচ্চ দাম ছিল ২ হাজার ৭৯০ ডলার। গত ৩০ অক্টোবরে সোনার এ দাম হয়। বিশ্ববাজারে সোনার এ রেকর্ড দাম হওয়ার পর ৩১ অক্টোবর বাংলাদেশে সব থেকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয় ১ হাজার ৫৭৫ টাকা। এতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ১ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৬ টাকা। দেশের বাজারে এটিই সোনার সর্বোচ্চ দাম।

বিশ্ববাজারে রেকর্ড দাম হওয়ার পরের দিন থেকেই অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর থেকে পতনের মধ্যে পড়ে স্বর্ণ। কয়েক দফায় দাম কমে ১৪ নভেম্বর প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৫৪৭ ডলার পর্যন্ত নেমে যায়। বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে যেমন স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়, তেমনি বিশ্ববাজারে দরপতন দেখা দিলে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমানো হয়। ৫ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে চার দফায় দেশের বাজারে ভালোমানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯ হাজার ১৭ টাকা কমানো হয়।

এরপর বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরেও কয়েক দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো বা কমানোর ঘটনা ঘটে। আর নতুন বছর ২০২৫ সালে এখনো পর্যন্ত দেশের বাজারে তিন দফা স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। এ তিন দফা দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসার আগে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বড় অঙ্কে বাড়তে দেখা গেছে।

চলতি বছর দেশের বাজারে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম তিন দফায় বেড়েছে ৪ হাজার ৫০৩ টাকা। অপরদিকে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়েছে ১৭৩ ডলার। এক আউন্স সমান ৩১ দশমিক ১০৩৪৭৬৮ গ্রাম। এ হিসাবে বিশ্ববাজারে চলতি বছর এখনো পর্যন্ত এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে ৭ হাজার ৯১৫ টাকা (এক ডলার সমান ১২২ টাকা ধরে)।

শ্রীনগরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:২১ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি  মিনিবার ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিতহয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় উপজেলার রাঢ়ীখাল ইউনিয়ন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের আয়োজনে মাইজপাড়া মাঠে ফুটবলটুনামেন্টের ফাইনাল খেলা পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

আরাফাত রহমান কেকো স্মৃতি সংসদ মুন্সীগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব শিশির চৌধুরী আরিফের সভাপতিত্বে শ্রীনগর উপজেলার  সভাপতিসাব্বির রহমান বাহাদুরের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়কসম্পাদক মীর সরফত আলী সপু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলেরকেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জল।

এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্রীনগর সরকারী কলেজের ভিপি রফিকুল ইসলাম রজন, নারী শিশু ফোরামের জেলা কমিটিরসাঃ সম্পাদক জসিম মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হাসান ফাহাদ,

পরশ মাহমুদ, হক মান্নান ইসলাম দুলাল, রিমু খান ঠান্ডু, শরীফ কাজী,রহিম মোল্লা , সবুজ আলম, নয়ন ঢালী,হাকিম, রবিনআকন,সিফাত, জুম্মান, জরিপ,আলামিন, রিমন দেওয়ান, নূর আলম শেখ, নূর আলমসহ অনেকেই।

কার্টনে ছিল মাথা ও মরদেহের খন্ডাংশ

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
কার্টনে ছিল মাথা ও মরদেহের খন্ডাংশ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মাসেতু টোলপ্লাজা সংলগ্ন মেদিনীমণ্ডলে ঢাকামাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে কার্টন বাক্সে রাখা অবস্থায় এক জনপুরুষের মাথা মরদেহের খন্ডাংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার ( এপ্রিল) বিকাল ৩টার দিকে স্থানীয় লোকজন কার্টনে মরদেহের খন্ডাংশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

ব্যাপারে পদ্মা সেতু উত্তর থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, “আমরা অজ্ঞাত এক পুরুষের  মাথা  শরীরের কিছু অংশ পেয়েছি। মাথাদেখে মনে হচ্ছে এটি কোন পুরুষের মরদেহ। যার চুল ছোট ছোট রয়েছে। এর কিছু অংশবিশেষ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকায় পাওয়া গেছে বলেআমরা জানতে পেরেছি। তদন্তের পরে বিস্তারিত বলতে পারবো।

সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ইউপি সদস্যের উদ্যোগে যুব সমাজ নিয়ে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা রাজানগর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জি আই চৌধুরী লিটন এর উদ্যোগে তেঘুরিয়া এলাকার যুব সমাজের মাঝে এ মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, শেখরনগর ফাড়ির আইসি তাজুল ইসলাম, এস আই আবুল কালাম আজাদ, এস আই মোঃ আক্কাস, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাশেম সরদার, মোঃ ইমান আলী,বিশ্ব মসজিদের ইমাম সাহেব।
এ সময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, এলাকাবাসী ও যুব সমাজের দাবি নিরীহ লোকজনদের কোন রকম হয়রানি করলে প্রতিবাদ করা হবে। পূর্বে আমলে যারা পুলিশ ছিলেন, মাদক সেবীদের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষদের হয়রানি করেছেন বলে যুব সমাজ জানান এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বলেন, আপনাদের সর্বপরি সহযোগিতা করা হবে কোন অন্যায়কারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবনকারীদের কোনরকম ছাড় দেওয়া হবে না। তবে সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের দাবি একান্ত সহযোগিতার চেয়েছেন এবং এলাকায় যে কোন ধরনের পরিস্থিতিতে এলাকায় বাসি পুলিশের সর্বাধিক সহযোগিতা পাবে বলে আশ্বাস দেন। কোন অন্যায় কোন অপকর্ম আমি যতদিন রয়েছি এখানে কোন অবৈধ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না বলে জানান আইসি তাজুল ইসলাম।
এ সময় রাজানগর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি জে আই চৌধুরী লিটন বলেন, মাদকের কোন অবস্থান এখানে থাকবে না এবং কোন রকম অপকর্ম করতে দেওয়া হবে না সর্বোপরি যুব সমাজকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।