নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১:১৫ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ১৭১ জন

ফের রিজার্ভ বেড়ে ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

ফের রিজার্ভ বেড়ে ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
ফের রিজার্ভ বেড়ে ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো অবস্থায় আছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রফতানি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ ফের ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী সবশেষ ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রোস রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার।  তবে ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ এখনো ১৫ বিলিয়নের ঘরে রয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ ছিল ২১ দশ‌মিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে গত ৯ জানুয়ারি এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের আমদানি বিল বাবদ ১৬৭ কোটি ডলার পরিশোধ কারার পর রিজার্ভ কমে ২০ বিনিয়ন ডলারে নেমে যায়। পরে ২২ জানুয়ারি ফের কমে রিজার্ভ; ওই সময় গ্রোস রিজার্ভ দাড়ায় ২৫ দশমিক ২২১ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে অর্থাৎ ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলানে নেমে যায়।

চলতি বছরের শুরুতে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ ছিল ২১ দশ‌মিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার।

মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। তবে এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, তা হ‌লো ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ। এ তথ্য আনুষ্ঠা‌নিক প্রকাশ ক‌রে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেখানে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ এর হিসাব করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেই হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্যপ্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলার কাছাকাছি আছে। প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলার হিসেবে এ রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যা‌বে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়নের ডলারের নিচে নামে। সে সময় বৈদেশিক ঋণ ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়ানো হয়। আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর নতুন গভর্নর এসে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রেখেছে। আবার বিভিন্ন সোর্স থেকে ডলার যোগানের চেষ্টা করছে। তবে আগের দায় পরিশোধ করতে গিয়ে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে কাছে উঠানামা করছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শ্রীনগরের বালাশুরে সরকারি দীঘি দখলের চেষ্টা থানায় অভিযোগ

ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্ট স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট জব্দ

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ হোক

ইশরাকের আসনে ভোটকেন্দ্রে ঢুকে প্রিজাইডিং অফিসারের ওপর হামলা বিএনপি নেতাকর্মীদের

অবরুদ্ধ জামায়াত নেতাকে উদ্ধার করলেন এনসিপি নেত্রী ডা. মিতু

ভোটকেন্দ্রের সামনে বস্তাভর্তি টাকাসহ স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আটক

গোপালগঞ্জে ডিসির বাসভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

সন্ত্রাসীদের ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আমার পক্ষে নির্বাচন করা সম্ভব নয় : ভিপি নূর

নির্বাচনী নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণে ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জে বিজিবি মহাপরিচালকের বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন

প্রধান উপদেষ্টাসহ উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ

১০

নির্বাচন উপলক্ষে ৯৬ ঘণ্টা কড়াকড়ি : ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ

১১

নির্বাচনে ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে: ইসি আনোয়ারুল

১২

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বিএনপির সব ধরণের পদ থেকে বহিষ্কার

১৩

সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ফজর পড়েই শুরু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, বিটিভির ভাষণে জামায়াত আমির

১৫

এমপিরা ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করছে কিনা নিশ্চিত করব: তারেক রহমান

১৬

শেষ মুহূর্তে প্রার্থীদের বিরামহীন প্রচার

১৭

নির্বাচনে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা শুরু

১৮

শ্রীনগরে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহর উঠান বৈঠক

১৯

শ্রীনগরে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত

২০