খুঁজুন
শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ২১ চৈত্র, ১৪৩১

প্রধান উপদেষ্টা

দেশি-বিদেশি মিডিয়া নিয়ে ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
দেশি-বিদেশি মিডিয়া নিয়ে ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা

দেশি-বিদেশি মিডিয়া নিয়ে খুব শিগগিরই ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

প্রেস উইং জানায়, উপদেষ্টা পরিষদের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, প্রধান উপদেষ্টা যত দ্রুত সম্ভব ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে যাবেন। দেশি-বিদেশি মিডিয়া উনার সঙ্গে থাকবেন।

রমজানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে টিসিবির মাধ্যমে পণ্য পরিবহন, ব্যাপকহারে আমদানি ও সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে এ সভায় আলোচনা হয়েছে।

সভায় রমজানে লোডশেডিং না রাখা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে আলোচনা হয় বলেও জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

আয়নাঘর কী?

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কাউন্টার-টেরোরিজম ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (সিটিআইবি) পরিচালিত একটি গোপন আটক কেন্দ্রের নাম হলো আয়নাঘর। ধারণা করা হয়, এখানে (আয়নাঘর) কমপক্ষে ১৬টি কক্ষ আছে, যেখানে একসঙ্গে ৩০ বন্দি রাখার সক্ষমতা রয়েছে।

গুমের সঙ্গে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা লুকাতে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) ৫ আগস্টের পর ‘আয়নাঘরের’ প্রমাণাদি নষ্ট করেছে বলে জানিয়েছে গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশন।

চলতি বছর ২০ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং প্রকাশিত গুম কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদনের একটি অংশে এ তথ্য জানা গেছে।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলের গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশন ২৬ সেপ্টেম্বর ডিজিএফআই কার্যালয়ের ভেতরে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন করে। এই সেলই ‘আয়নাঘর’ বলে পরিচিতি পায়।

কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫ আগস্টের পর ডিজিএফআই সদর দপ্তরে ইন্টারোগেশন সেলের কাঠামোগত আংশিক পরিবর্তন করা হয়েছে, দেয়ালে রং করা হয়েছে, যেখানে বন্দিরা অনেক কিছু লিখেছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু প্রমাণ আমাদের (গুম তদন্ত কমিশন) পরিদর্শনের আগের দিনই নষ্ট করা হয়। পরিদর্শনের কথা জানানোর পরও আমরা পরিদর্শনের সময় দেয়ালে কাঁচা রং দেখতে পেয়েছি। ভেজা রং এবং অসম্পূর্ণ কাঠামোগত পরিবর্তন স্পষ্টই তাড়াহুড়ো করে অপরাধ গোপনের চেষ্টার ইঙ্গিত দেয়।

গুম তদন্ত কমিশন যখন ডিজিএফআই কার্যালয় পরিদর্শন করে তখন মেজর জেনারেল মুহাম্মদ ফয়জুর রহমান ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক ছিলেন। পরে ১৭ অক্টোবর তাকে বদলি করা হয়। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তৎকালীন ডিজি শক্ত যুক্তি দিয়েছিলেন যে তিনি তার মেয়াদের আগে সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন না। প্রমাণ নষ্টের ক্ষেত্রে তার এমন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দায়মুক্তির সংস্কৃতির জবরদস্তিমূলক ক্ষমতার প্রকাশ।

আগেকার অপরাধীদের রক্ষা করার জন্য তার এমন উদ্যোগ ছিল ব্যক্তিগত স্বার্থে এবং পেশাগত সততার বিরুদ্ধে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

গুম তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনার শাসনামলে নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে দায়মুক্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বেসামরিক ও সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনায় এটা স্পষ্ট যে তাদের বেশিরভাগই নিজেদের অপরাধের জন্য কখনো জবাবদিহি করবেন বলে আশা করেননি। তারা অপরাধকে অপরাধ হিসেবেও দেখেননি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রমাণ নষ্ট করার এবং অসহযোগিতার এমন ধরন শুধু ডিজিএফআই নয়, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীগুলো গত ১৫ বছর ব্যবহার করেছে। এটি শুধু ৫ আগস্ট পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় ছিলেন এবং নিজেদের অপরাধ লুকাতে চেয়েছিলেন তারাই নন, পরবর্তীতে যারা বিভিন্ন শীর্ষপদে বসেছেন তারাও করেছেন।

সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ইউপি সদস্যের উদ্যোগে যুব সমাজ নিয়ে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা রাজানগর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জি আই চৌধুরী লিটন এর উদ্যোগে তেঘুরিয়া এলাকার যুব সমাজের মাঝে এ মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, শেখরনগর ফাড়ির আইসি তাজুল ইসলাম, এস আই আবুল কালাম আজাদ, এস আই মোঃ আক্কাস, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাশেম সরদার, মোঃ ইমান আলী,বিশ্ব মসজিদের ইমাম সাহেব।
এ সময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, এলাকাবাসী ও যুব সমাজের দাবি নিরীহ লোকজনদের কোন রকম হয়রানি করলে প্রতিবাদ করা হবে। পূর্বে আমলে যারা পুলিশ ছিলেন, মাদক সেবীদের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষদের হয়রানি করেছেন বলে যুব সমাজ জানান এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বলেন, আপনাদের সর্বপরি সহযোগিতা করা হবে কোন অন্যায়কারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবনকারীদের কোনরকম ছাড় দেওয়া হবে না। তবে সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের দাবি একান্ত সহযোগিতার চেয়েছেন এবং এলাকায় যে কোন ধরনের পরিস্থিতিতে এলাকায় বাসি পুলিশের সর্বাধিক সহযোগিতা পাবে বলে আশ্বাস দেন। কোন অন্যায় কোন অপকর্ম আমি যতদিন রয়েছি এখানে কোন অবৈধ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না বলে জানান আইসি তাজুল ইসলাম।
এ সময় রাজানগর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি জে আই চৌধুরী লিটন বলেন, মাদকের কোন অবস্থান এখানে থাকবে না এবং কোন রকম অপকর্ম করতে দেওয়া হবে না সর্বোপরি যুব সমাজকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

শ্রীনগরে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় শ্রীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে এ পুনর্মিলনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রীনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আশরাফ হোসেন মিলন এর সভাপতিত্বে ও সাঃ সম্পাদক নুর ইসলাম বেপারীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলাম মৃধা।

বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন,মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন খান শামীম, উপজেলা বিএনপির সাঃ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মোড়ল।

অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মামুন,স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ফয়সাল আহম্মেদ রনি,কৃষকদলের আহবায়ক মোঃ শাহ আলম, ছাত্রদলের সাঃ সম্পাদক ইমদাদুল হক ইমন,ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ,শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন সাবেক সভাপতি এমএ কাইয়ুম রতনসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাঃ সম্পাদকসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সিরাজদিখানে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
সিরাজদিখানে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০০গ্রাম গাঁজা সহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে সিরাজদিখান থানা পুলিশ।বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) বুদবার সকাল সারে ৯টায় লতব্দী দক্ষিনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে সিরাজদিখানথানা পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেনমো. শাহজাহান শেখ(৫৮) মো. বুলু শেখ(৪১) সময় তাদের কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।বৃহস্পতিবার (০৩ এপ্রিল) এই তথ্য নিশ্চিত করেন সিরাজদিখান থানা পুলিশ।

সিরাজদিখান থানার এসআই মোঃ কামরুজ্জামান সিকদার  জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে লতব্দীইউনিয়নের দক্ষিনপাড়া মসজিদ রোডের মোক্তার হোসেনর বাড়ির পাশে পাকা রাস্তায় গাঁজাসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।  তিনি আরওবলেন, গ্রেফতাররা মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে লতব্দী  এলাকায় বিক্রির উদ্দেশেযাচ্ছিল। তাদের বিরুদ্ধে সিরাজদিখান থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।