খুঁজুন
শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫, ২২ চৈত্র, ১৪৩১

তথ্য উপদেষ্টা

মির্জা ফখরুলের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আরেকটা ওয়ান ইলেভেনের ইঙ্গিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ৩:২৮ পূর্বাহ্ণ
মির্জা ফখরুলের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আরেকটা ওয়ান ইলেভেনের ইঙ্গিত

তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

মির্জা ফখরুলের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আরেকটা ওয়ান ইলেভেনের ইঙ্গিত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ভেরিফায়েড ফেসবুক থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মূলত আরেকটা ১/১১ সরকার গঠনের ইঙ্গিত বহন করে। ১/১১-এর বন্দোবস্ত থেকেই আওয়ামী ফ্যাসিজমের উত্থান ঘটেছিল। বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যে সামনে আরেকটা ১/১১ সরকার, সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা এবং গুম-খুন ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার আলামত রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ছাত্র এবং অভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে মাইনাস করার পরিকল্পনা ৫ অগাস্ট থেকেই শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট যখন ছাত্র-জনতা রাজপথে লড়াই করছে, পুলিশের গুলি অব্যাহত রয়েছ, তখন আমাদের আপসকামী অনেক জাতীয় নেতৃবৃন্দ ক্যান্টনমেন্টে জনগণকে বাদ দিয়ে নতুন সরকার করার পরিকল্পনায় ব্যস্ত ছিলেন (অনেকে ছাত্রদের কথাও বলেছেন সেখানে)।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ৩ অগাস্ট থেকে বলে আসছি আমরা কোনো প্রকারের সেনাশাসন বা জরুরি অবস্থা মেনে নেব না। আমাদেরকে বারবার ক্যান্টেন্টমেন্টে যেতে বলা হলেও আমরা যেতে অস্বীকার করি। শেষ পর্যন্ত বঙ্গভবনে আলোচনা ও বার্গেনিংয়ের মাধ্যমে ড. ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।’

বিএনপি জাতীয় সরকারে রাজি হয়নি জানিয়ে নাহিদ বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে একটা জাতীয় সরকার। জাতীয় সরকার হলে ছাত্রদের হয়তো সরকারে আসার প্রয়োজন হতো না। জাতীয় সরকার অনেকদিন স্থায়ী হবে, এই বিবেচনায় বিএনপি জাতীয় সরকারে রাজি হয় নাই।’

 

‘কিন্তু অভ্যুত্থানের পরেই দেশে জাতীয় সরকারের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি ছিল। অথচ বিএনপি জাতীয় সরকারের কথা বলছে সামনের নির্বাচনের পরে।’

এই উপদেষ্টা বলেন, ‘ছাত্ররাই এই সরকারের এবং বিদ্যমান বাস্তবতার একমাত্র ফ্যাক্টর যেটা ১/১১-এর সরকার থেকে বর্তমান সরকারকে সম্পূর্ণভাবে আলাদা করে। বিএনপি কয়েকদিন আগে মাইনাস টু-এর আলোচনা করলেও এখন ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সুগম করার জন্য নিরপেক্ষ সরকারের নামে আরেকটি ১/১১ সরকারের প্রস্তাবনা করছে।’

‘এ ধরনের পরিকল্পনা গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে এবং ছাত্র-জনতা কোনোভাবেই এটা মেনে নেবে না। এবং আমি মনে করি এটা বিএনপির বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র।’

সরকারের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত নানান স্তরে বিএনপিপন্থী লোক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আর এই সরকার জাতীয় সরকার না হলেও সরকারে আন্দোলনের সব পক্ষেরই অংশীদারত্ব রয়েছে এবং সব পক্ষই নানান সুবিধা ভোগ করছে। সরকার গঠনের আগেই ৬ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেল এবং পুলিশের আগের আইজির নিয়োগ হয়েছিল, যারা মূলত বিএনপির লোক। এরকমভাবে সরকারের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত নানান স্তরে বিএনপিপন্থী লোকজন রয়েছে। নির্বাচনের নিরপেক্ষতার কথা বললে এই বাস্তবতায়ও মাথায় রাখতে হবে।’

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির পরিবর্তন, সংস্কার, নতুন সংবিধান, জুলাই ঘোষণা সব ইস্যুতেই বিএনপি বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। অথচ এগুলো কোনোটাই ছাত্রদের দলীয় কোনো দাবি ছিল না। কিন্তু দেশের স্থিতিশীলতা, বৃহত্তর স্বার্থ ও জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার জন্য ছাত্ররা বারবার তাদের অবস্থান থেকে সরে এসেছে।

কিন্তু এর মানে এই না যে গণতন্ত্রবিরোধী ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাবিরোধী কোনো পরিকল্পনা হলে সেখানে আমরা বিন্দু পরিমান ছাড় দেব।’

আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বিষয়ে ভারতের প্রধান দলগুলোর মধ্যে ঐক্য সম্ভব হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ বিষয়ে আমরা ঐক্য করতে পারি নাই, এত হত্যা ও অপরাধের পরেও। হায় এই ‘জাতীয় ঐক্য’ লইয়া আমরা কী রাষ্ট্র বানাবো!’

‘বাংলাদেশকে দুর্বল করা সহজ, কারণ বাংলাদেশকে সহজেই বিভাজিত করা যায়। এ দেশের বড় বড় লোকেরা অল্পমূল্যে বিক্রি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে।’

বিএনপির দেশপ্রেমিক ও ত্যাগীদের আহ্বান জানিয়ে তরুণ এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি মনে করি না সমগ্র বিএনপি এই অবস্থান গ্রহণ করে। বরং বিএনপির কর্মী সমর্থকদের বড় অংশই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন চায়। বিএনপির দেশপ্রেমিক ও ত্যাগী নেতৃত্বকে আহ্বান করব, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে না গিয়ে ছাত্র-জনতার সাথে বৃহত্তর ঐক্য ও সংহতির পথ বেছে নেন।’

শ্রীনগরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:২১ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি  মিনিবার ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিতহয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় উপজেলার রাঢ়ীখাল ইউনিয়ন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের আয়োজনে মাইজপাড়া মাঠে ফুটবলটুনামেন্টের ফাইনাল খেলা পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

আরাফাত রহমান কেকো স্মৃতি সংসদ মুন্সীগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব শিশির চৌধুরী আরিফের সভাপতিত্বে শ্রীনগর উপজেলার  সভাপতিসাব্বির রহমান বাহাদুরের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়কসম্পাদক মীর সরফত আলী সপু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলেরকেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জল।

এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্রীনগর সরকারী কলেজের ভিপি রফিকুল ইসলাম রজন, নারী শিশু ফোরামের জেলা কমিটিরসাঃ সম্পাদক জসিম মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হাসান ফাহাদ,

পরশ মাহমুদ, হক মান্নান ইসলাম দুলাল, রিমু খান ঠান্ডু, শরীফ কাজী,রহিম মোল্লা , সবুজ আলম, নয়ন ঢালী,হাকিম, রবিনআকন,সিফাত, জুম্মান, জরিপ,আলামিন, রিমন দেওয়ান, নূর আলম শেখ, নূর আলমসহ অনেকেই।

কার্টনে ছিল মাথা ও মরদেহের খন্ডাংশ

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
কার্টনে ছিল মাথা ও মরদেহের খন্ডাংশ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মাসেতু টোলপ্লাজা সংলগ্ন মেদিনীমণ্ডলে ঢাকামাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে কার্টন বাক্সে রাখা অবস্থায় এক জনপুরুষের মাথা মরদেহের খন্ডাংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার ( এপ্রিল) বিকাল ৩টার দিকে স্থানীয় লোকজন কার্টনে মরদেহের খন্ডাংশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

ব্যাপারে পদ্মা সেতু উত্তর থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, “আমরা অজ্ঞাত এক পুরুষের  মাথা  শরীরের কিছু অংশ পেয়েছি। মাথাদেখে মনে হচ্ছে এটি কোন পুরুষের মরদেহ। যার চুল ছোট ছোট রয়েছে। এর কিছু অংশবিশেষ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকায় পাওয়া গেছে বলেআমরা জানতে পেরেছি। তদন্তের পরে বিস্তারিত বলতে পারবো।

সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ইউপি সদস্যের উদ্যোগে যুব সমাজ নিয়ে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা রাজানগর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জি আই চৌধুরী লিটন এর উদ্যোগে তেঘুরিয়া এলাকার যুব সমাজের মাঝে এ মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, শেখরনগর ফাড়ির আইসি তাজুল ইসলাম, এস আই আবুল কালাম আজাদ, এস আই মোঃ আক্কাস, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাশেম সরদার, মোঃ ইমান আলী,বিশ্ব মসজিদের ইমাম সাহেব।
এ সময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, এলাকাবাসী ও যুব সমাজের দাবি নিরীহ লোকজনদের কোন রকম হয়রানি করলে প্রতিবাদ করা হবে। পূর্বে আমলে যারা পুলিশ ছিলেন, মাদক সেবীদের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষদের হয়রানি করেছেন বলে যুব সমাজ জানান এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বলেন, আপনাদের সর্বপরি সহযোগিতা করা হবে কোন অন্যায়কারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবনকারীদের কোনরকম ছাড় দেওয়া হবে না। তবে সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের দাবি একান্ত সহযোগিতার চেয়েছেন এবং এলাকায় যে কোন ধরনের পরিস্থিতিতে এলাকায় বাসি পুলিশের সর্বাধিক সহযোগিতা পাবে বলে আশ্বাস দেন। কোন অন্যায় কোন অপকর্ম আমি যতদিন রয়েছি এখানে কোন অবৈধ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না বলে জানান আইসি তাজুল ইসলাম।
এ সময় রাজানগর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি জে আই চৌধুরী লিটন বলেন, মাদকের কোন অবস্থান এখানে থাকবে না এবং কোন রকম অপকর্ম করতে দেওয়া হবে না সর্বোপরি যুব সমাজকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।