খুঁজুন
শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ২১ চৈত্র, ১৪৩১

কিছু বিষয়ে সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে পারছে না: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ
কিছু বিষয়ে সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে পারছে না: ফখরুল

মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

কিছু বিষয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) শহীদ আসাদের ৫৬তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করে শহীদ আসাদ পরিষদ।

সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, আমি এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেছি, অন্তর্বর্তী সরকার যদি নিরপেক্ষ না থাকে, তাহলে নির্বাচনের সময়ে একটি নিরপেক্ষ সরকার দরকার আছে। আমি এই কথাটা বলেছি কারণ, আমরা দেখছি কিছু বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে পারছে না। আমরা আশা করি, অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। দেশে যে সংকট আছে, তা থেকে মুক্ত করার জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা এখনো দেখছি, আমলাতন্ত্র আগে যে অবস্থায় ছিল এখনো সচিবালয় থেকে শুরু করে সব প্রশাসনে একইভাবে তাদের ভূমিকা পালন করছে। কোনো ধরনের রদবদল হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া একদম বন্ধ হয়ে গেছে, স্কুল-কলেজে সেভাবে লেখাপড়া হচ্ছে না। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে। এগুলো অতীত থেকেই এসেছে। সেগুলো পরিবর্তন এত অল্প সময়ে সম্ভবও নয়। সেজন্যই আমরা বলছি, নির্বাচন দ্রুত হওয়া দরকার। নির্বাচন দ্রুত হলে যে সরকার আসবে, রাজনৈতিক কমিটমেন্ট যেগুলো থাকবে সে কমিটমেন্টগুলো পালন করার জন্য অবশ্যই দায়বদ্ধ থাকবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, সাধারণ মানুষ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র চায়। সেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তারা তাদের অধিকার ফেরত চান। তারা যেন তাদের ভোটের অধিকারটা পান, কথা বলার অধিকার পান এবং তাদের সন্তানরা যাতে লেখাপড়া শিখতে পারে। তারা এমন একটি সমাজ চায়, যেই সমাজে দুর্নীতি, অনিয়ম, অন্যায় থাকবে না। সেই সমাজে মানবিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার থাকবে, সেই ধরনের একটি সমাজ তারা চায়। কিন্তু সব সময় আমরা সেটি পায় না।

ফখরুল বলেন, নির্বাচনটা দ্রুত হওয়া দরকার। কারণ আমি বিশ্বাস করি, যে নির্বাচন থেকে আমরা প্রায় ১৫ বছর বঞ্চিত, সেই নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের জনগণ তাদের প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার একটি সুযোগ পাবে। এখন এখানে জোর করে যদি সেই বিষয়টাকে বিতর্কিত করে ফেলা হয়, তাহলে জনগণ আবার তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।  আমাদের যে অভিজ্ঞতা, সেই অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি, এই ধরনের নির্বাচন যদি দ্রুত না হয়, সময়ক্ষেপণ করা হয়, তাহলে সেখানে অন্যান্য শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে থাকবে। তখন জনগণ তাদের চাহিদা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে কে আসবে সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। সেটার জন্যই আমরা লড়াই করেছি দীর্ঘ ১৫ বছর। সেই কারণেই বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। স্বাভাবিকভাবে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেড়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, এখন সমাজের যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে, সেই ধরনের ব্যবস্থায় থেকে আমরা এখনো নিশ্চিত হতে পারছি না, আমাদের প্রত্যাশাগুলো পূরণ হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন প্রোগ্রাম, কর্মসূচি আছে। সেই কর্মসূচিগুলো তারা চালিয়ে যেতে চায়। কিন্তু একটি বিষয়ে সবাই একমত, একটি নির্বাচন হওয়া দরকার। নির্বাচন শুধু একটি দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়, একটি গণতান্ত্রিক পথ সৃষ্টি করার জন্য নির্বাচন প্রয়োজন।

শহীদ আসাদকে নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ঊনসত্তরের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আমরা যারা জড়িত ছিলাম, তাদের কাছে শহীদ আসাদ অত্যন্ত ভালোবাসার নাম। আমরা যে সংগ্রাম-আন্দোলন করেছি, সেই সংগ্রাম-আন্দোলনে আসাদ একটি অনুপ্রেরণার নাম। শহীদ আসাদ আমাদের ইতিহাসের একটি অবশ্যম্ভাবী একটি নাম। যতই পাঠ্যপুস্তকে নাম না থাকুক বা কেউ স্মরণ না করুক, শহীদ আসাদকে ইতিহাস থেকে কেউ বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে আসাদ অমর হয়ে থাকবেন।

তিনি বলেন, চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ফলে আমরা একজন ফ্যাসিস্ট শাসককে দেশ থেকে চলে যেতে বাধ্য করেছি। ঊনসত্তুরের গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খানকে চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারিনি।

তিনি আরও বলেন, আজকে শহীদ আসাদ খুব প্রাসঙ্গিক। আমরা ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি, দীর্ঘ ১৫ বছর লড়াই করেছি, সবশেষে আমরা বিজয় অর্জন একটি করেছি। যারা এই বিজয় আনতে প্রাণ দিয়েছেন, সামনের দিনগুলোতে যাতে আমরা তাদের স্বপ্নগুলো যাতে বাস্তবায়ন করতে পারি, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

শহীদ আসাদ পরিষদের সভাপতি ড. মাহবুব উল্লাহর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি প্রমুখ।

সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ইউপি সদস্যের উদ্যোগে যুব সমাজ নিয়ে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা রাজানগর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জি আই চৌধুরী লিটন এর উদ্যোগে তেঘুরিয়া এলাকার যুব সমাজের মাঝে এ মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, শেখরনগর ফাড়ির আইসি তাজুল ইসলাম, এস আই আবুল কালাম আজাদ, এস আই মোঃ আক্কাস, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাশেম সরদার, মোঃ ইমান আলী,বিশ্ব মসজিদের ইমাম সাহেব।
এ সময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, এলাকাবাসী ও যুব সমাজের দাবি নিরীহ লোকজনদের কোন রকম হয়রানি করলে প্রতিবাদ করা হবে। পূর্বে আমলে যারা পুলিশ ছিলেন, মাদক সেবীদের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষদের হয়রানি করেছেন বলে যুব সমাজ জানান এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বলেন, আপনাদের সর্বপরি সহযোগিতা করা হবে কোন অন্যায়কারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবনকারীদের কোনরকম ছাড় দেওয়া হবে না। তবে সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের দাবি একান্ত সহযোগিতার চেয়েছেন এবং এলাকায় যে কোন ধরনের পরিস্থিতিতে এলাকায় বাসি পুলিশের সর্বাধিক সহযোগিতা পাবে বলে আশ্বাস দেন। কোন অন্যায় কোন অপকর্ম আমি যতদিন রয়েছি এখানে কোন অবৈধ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না বলে জানান আইসি তাজুল ইসলাম।
এ সময় রাজানগর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি জে আই চৌধুরী লিটন বলেন, মাদকের কোন অবস্থান এখানে থাকবে না এবং কোন রকম অপকর্ম করতে দেওয়া হবে না সর্বোপরি যুব সমাজকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

শ্রীনগরে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় শ্রীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে এ পুনর্মিলনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রীনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আশরাফ হোসেন মিলন এর সভাপতিত্বে ও সাঃ সম্পাদক নুর ইসলাম বেপারীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলাম মৃধা।

বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন,মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন খান শামীম, উপজেলা বিএনপির সাঃ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মোড়ল।

অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মামুন,স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ফয়সাল আহম্মেদ রনি,কৃষকদলের আহবায়ক মোঃ শাহ আলম, ছাত্রদলের সাঃ সম্পাদক ইমদাদুল হক ইমন,ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ,শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন সাবেক সভাপতি এমএ কাইয়ুম রতনসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাঃ সম্পাদকসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সিরাজদিখানে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
সিরাজদিখানে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০০গ্রাম গাঁজা সহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে সিরাজদিখান থানা পুলিশ।বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) বুদবার সকাল সারে ৯টায় লতব্দী দক্ষিনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে সিরাজদিখানথানা পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেনমো. শাহজাহান শেখ(৫৮) মো. বুলু শেখ(৪১) সময় তাদের কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।বৃহস্পতিবার (০৩ এপ্রিল) এই তথ্য নিশ্চিত করেন সিরাজদিখান থানা পুলিশ।

সিরাজদিখান থানার এসআই মোঃ কামরুজ্জামান সিকদার  জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে লতব্দীইউনিয়নের দক্ষিনপাড়া মসজিদ রোডের মোক্তার হোসেনর বাড়ির পাশে পাকা রাস্তায় গাঁজাসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।  তিনি আরওবলেন, গ্রেফতাররা মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে লতব্দী  এলাকায় বিক্রির উদ্দেশেযাচ্ছিল। তাদের বিরুদ্ধে সিরাজদিখান থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।