খুঁজুন
শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫, ২২ চৈত্র, ১৪৩১

অভ্যুত্থানের অগ্রভাগ থেকে রাজনৈতিক নেতৃত্বে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
অভ্যুত্থানের অগ্রভাগ থেকে রাজনৈতিক নেতৃত্বে

তারা ছিলেন শিক্ষাঙ্গনের নানা অসঙ্গতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠস্বর। সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত হলে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হন তারা।

রাজপথে গড়ে তোলেন আন্দোলন। সেই আন্দোলন দমনে তৎকালীন শেখ হাসিনার সরকার দমন-পীড়নের পথ বেছে নেয়। স্বৈরাচারের লেলিয়া দেওয়া বাহিনীর গুলিতে রাজপথে রক্তের নদী বয়ে যায়। ঝরতে থাকে শত শত তরতাজা প্রাণ। এক পর্যায়ে তারা স্বৈরাচারের পতনেরই ডাক দেন। তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আন্দোলন দুর্বার করে তোলে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। রাষ্ট্রযন্ত্রের সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও গদি টেকেনি স্বৈরাচারের। গণঅভ্যুত্থানে পতন ঘটে। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে শেখ হাসিনা পালিয়ে যান ভারতে।

 

সেই অভ্যুত্থানের অগ্রভাগে যারা ছিলেন তাদের উদ্যোগে শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আত্মপ্রকাশ ঘটেছে নতুন একটি রাজনৈতিক দলের। তারুণ্যনির্ভর এ রাজনৈতিক দলের নাম দেওয়া হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি-এনসিপি)। এতে আহ্বায়ক করা হয়েছে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফার ঘোষক মো. নাহিদ ইসলামকে। আর সদস্য সচিব করা হয়েছে অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক আখতার হোসেনকে। এছাড়া অন্যান্য শীর্ষ নেতা হিসেবে যাদের নাম ঘোষিত হয়েছে, তারাও জুলাইয়ে ফ্যাসিবাদ পতনের আন্দোলনের সামনের ভাগেই ছিলেন।

স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন
দেশের শিক্ষাঙ্গনসহ সমাজে যে কোনো অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে অতীতে প্রতিবাদীর ভূমিকায় দেখা গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, আসিফ মাহমুদ, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলমসহ অন্যদের। এদের মধ্যে আখতার-আসিফরা হাসিনার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছেন।

২০২৪ সালের জুন মাসে হাইকোর্টের রায়ে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা ফিরে আসে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নামে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন তারা। সেখানে সমন্বয়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, আসিফ মাহমুদ, আব্দুল কাদের, উমামা ফাতেমা, সারজিস আলম, আবু বাকের মজুমদার, মাহিন সরকার, আব্দুল হান্নান মাসউদ, নুসরাত তাবাসসুম, রাফিয়া রেহনুমা হৃদি, রিফাত রশীদ প্রমুখ।

শ্রীনগরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:২১ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি  মিনিবার ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিতহয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় উপজেলার রাঢ়ীখাল ইউনিয়ন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের আয়োজনে মাইজপাড়া মাঠে ফুটবলটুনামেন্টের ফাইনাল খেলা পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

আরাফাত রহমান কেকো স্মৃতি সংসদ মুন্সীগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব শিশির চৌধুরী আরিফের সভাপতিত্বে শ্রীনগর উপজেলার  সভাপতিসাব্বির রহমান বাহাদুরের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়কসম্পাদক মীর সরফত আলী সপু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলেরকেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জল।

এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্রীনগর সরকারী কলেজের ভিপি রফিকুল ইসলাম রজন, নারী শিশু ফোরামের জেলা কমিটিরসাঃ সম্পাদক জসিম মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হাসান ফাহাদ,

পরশ মাহমুদ, হক মান্নান ইসলাম দুলাল, রিমু খান ঠান্ডু, শরীফ কাজী,রহিম মোল্লা , সবুজ আলম, নয়ন ঢালী,হাকিম, রবিনআকন,সিফাত, জুম্মান, জরিপ,আলামিন, রিমন দেওয়ান, নূর আলম শেখ, নূর আলমসহ অনেকেই।

কার্টনে ছিল মাথা ও মরদেহের খন্ডাংশ

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
কার্টনে ছিল মাথা ও মরদেহের খন্ডাংশ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মাসেতু টোলপ্লাজা সংলগ্ন মেদিনীমণ্ডলে ঢাকামাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে কার্টন বাক্সে রাখা অবস্থায় এক জনপুরুষের মাথা মরদেহের খন্ডাংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার ( এপ্রিল) বিকাল ৩টার দিকে স্থানীয় লোকজন কার্টনে মরদেহের খন্ডাংশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

ব্যাপারে পদ্মা সেতু উত্তর থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, “আমরা অজ্ঞাত এক পুরুষের  মাথা  শরীরের কিছু অংশ পেয়েছি। মাথাদেখে মনে হচ্ছে এটি কোন পুরুষের মরদেহ। যার চুল ছোট ছোট রয়েছে। এর কিছু অংশবিশেষ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকায় পাওয়া গেছে বলেআমরা জানতে পেরেছি। তদন্তের পরে বিস্তারিত বলতে পারবো।

সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ইউপি সদস্যের উদ্যোগে যুব সমাজ নিয়ে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা রাজানগর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জি আই চৌধুরী লিটন এর উদ্যোগে তেঘুরিয়া এলাকার যুব সমাজের মাঝে এ মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, শেখরনগর ফাড়ির আইসি তাজুল ইসলাম, এস আই আবুল কালাম আজাদ, এস আই মোঃ আক্কাস, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাশেম সরদার, মোঃ ইমান আলী,বিশ্ব মসজিদের ইমাম সাহেব।
এ সময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, এলাকাবাসী ও যুব সমাজের দাবি নিরীহ লোকজনদের কোন রকম হয়রানি করলে প্রতিবাদ করা হবে। পূর্বে আমলে যারা পুলিশ ছিলেন, মাদক সেবীদের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষদের হয়রানি করেছেন বলে যুব সমাজ জানান এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বলেন, আপনাদের সর্বপরি সহযোগিতা করা হবে কোন অন্যায়কারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবনকারীদের কোনরকম ছাড় দেওয়া হবে না। তবে সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের দাবি একান্ত সহযোগিতার চেয়েছেন এবং এলাকায় যে কোন ধরনের পরিস্থিতিতে এলাকায় বাসি পুলিশের সর্বাধিক সহযোগিতা পাবে বলে আশ্বাস দেন। কোন অন্যায় কোন অপকর্ম আমি যতদিন রয়েছি এখানে কোন অবৈধ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না বলে জানান আইসি তাজুল ইসলাম।
এ সময় রাজানগর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি জে আই চৌধুরী লিটন বলেন, মাদকের কোন অবস্থান এখানে থাকবে না এবং কোন রকম অপকর্ম করতে দেওয়া হবে না সর্বোপরি যুব সমাজকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।