নগদ
নগদ-এ ২৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি ও অর্থ পাচার

দুদক
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ-এ ২৩০০ কোটি টাকার জালিয়াতির প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তানজির আহমেদ বলেন, ‘আমরা নথিপত্র সংগ্রহ করেছি। দুদকে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগে এসব নথিপত্র খতিয়ে দেখা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নগদের ৭০ শতাংশের বেশি মালিকানা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের। তাই, বিদেশে অর্থ পাচার করা হয়েছে কি না তা আমরা খতিয়ে দেখব। এ ছাড়াও নগদের পেছনে আওয়ামী লীগের কে বা কারা রয়েছেন এবং ডাক বিভাগের সঙ্গে অন্যায্য চুক্তিতে কে কে প্রভাব রেখেছিল সেটিও যাচাই করা হবে।’
এ বিষয়ে নগদের প্রশাসক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান দিদার গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ১,৭০০ কোটি টাকা পাচার এবং ৬০০ কোটি টাকার ই-মানি সংক্রান্ত অনিয়ম পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, নগদের চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে যেকোনো মানুষ মনে করবেন এটি রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। তবে আশ্চর্যকর বিষয় হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির ৭০ ভাগের বেশি শেয়ার অংশীদার হলেন বিদেশি বিনিয়োগকারী। অভিযোগ রয়েছে নিয়ম না মেনে গ্রাহকদের ডিপোজিটরের টাকা সরিয়ে ৬০০ কোটি টাকার ই-মানি তৈরি করেছে, ফলে গ্রাহকরা ট্রানজেকশন করতে পারলেও ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারছেন না, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক।
এমন সব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নগদের প্রধান কার্যালয়ে দুদক অভিযান কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে বেশকিছু নথিপত্র সংগ্রহ করে সংস্থাটির কর্মকর্তারা।
দুদক কর্মকর্তা জানান, নগদ থেকে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেবে তারা। সেই প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে কমিশন।
যাদের মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সরিয়ে ফেলা হয়েছে তাদের শনাক্ত করতে নগদের অভিযান কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানিয়েছে দুদক।
আপনার মতামত লিখুন