খুঁজুন
শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫, ২২ চৈত্র, ১৪৩১

আয়নাঘর

আয়নাঘরের ভেতরে খুবই বীভৎস দৃশ্য: প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
আয়নাঘরের ভেতরে খুবই বীভৎস দৃশ্য: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা

বহুল আলোচিত আয়নাঘর পরিদর্শক শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আমাকে নতুন করে বলতে হবে না। বর্ণনা দিতে গেলে বলতে হয়- আয়নাঘরের ভেতরে খুবই বীভৎস দৃশ্য। এখানে মনুষ্যত্ববোধের কিছু নেই, যা হয়েছে তা নৃশংস।’
বুধবার রাজধানীর কচুক্ষেত, উত্তরা, আগারগাঁও এলাকায় বিগত সরকারের তিনটি গোপন কারাগার পরিদর্শন করেন তিনি। বিগত শেখ হাসিনার সরকার ভিন্ন মতের মানুষকে বিচার বহির্ভূত ভাবে এসব গোপন বন্দিশালায় আটকে রেখে নির্যাতন করতো। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকর্মী ও ভুক্তভোগীদের নিয়ে আয়নাঘর পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের (অন্ধকার যুগ) একটা নমুনা প্রতিষ্ঠা করে গেছে।
তিনি বলেন, এটা কি আমাদেরই সমাজ? এটার কোনো ব্যাখ্যা নাই। যতটাই শুনি, অবিশ্বাস্য মনে হয়। যারা নিগৃহীত হয়েছে, নির্যাতিত হয়েছে তারাও আমাদের সঙ্গে এসেছে, তাদের মুখেই শুনলাম। বিনা দোষে কতগুলো সাক্ষী নিয়ে, হাতে এক্সপ্লোসিভ ধরিয়ে দিয়ে কাউকে সন্ত্রাসী-জঙ্গি বলে রাখা হয়েছে।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই রকম নির্যাতন কেন্দ্র (টর্চার সেল) সারা দেশজুড়ে আছে। ধারণা ছিল এখানে কয়েকটা আছে। এখন শুনছি বিভিন্ন ভার্সনে (সংস্করণে) সারাদেশজুড়ে আছে। সংখ্যাও নিরূপণ করা যায়নি। কেউ বলছেন ৭০০, কেউ বলছেন ৮০০, সংখ্যাও নিরুপণ করা যায়নি, কতটা আছে। এরমধ্যে কতগুলো জানা আছে, কতগুলো অজানা।’

তিনি বলেন, মানুষকে সামান্যতম মানবাধিকার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে। একজন বলছিলেন খুপরির মধ্যে রাখা হয়েছে। এর থেকে তো মুরগির খাঁচাও বড় হয়। বছরের পর বছর এভাবে রাখা হয়েছে। গুম-খুনের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে সমাজ টিকবে না উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা নতুন সমাজ গড়া, অপরাধীদের বিচার করা, প্রমাণ রক্ষার ওপর জোর দেন।

গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ন্যায়বিচার যেন পায়, সেটা এখন প্রাধান্য।
আরেক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আমরা নতুন বাংলাদেশ ও নতুন পরিবেশ গড়তে চাই। সরকার সে লক্ষ্যে বিভিন্ন কমিশন করেছে। যে ঘটনাগুলো ঘটেছে তার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সরকার সে লক্ষ্যে কাজ করবে।

শ্রীনগরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:২১ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি  মিনিবার ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিতহয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় উপজেলার রাঢ়ীখাল ইউনিয়ন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের আয়োজনে মাইজপাড়া মাঠে ফুটবলটুনামেন্টের ফাইনাল খেলা পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

আরাফাত রহমান কেকো স্মৃতি সংসদ মুন্সীগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব শিশির চৌধুরী আরিফের সভাপতিত্বে শ্রীনগর উপজেলার  সভাপতিসাব্বির রহমান বাহাদুরের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়কসম্পাদক মীর সরফত আলী সপু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলেরকেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জল।

এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্রীনগর সরকারী কলেজের ভিপি রফিকুল ইসলাম রজন, নারী শিশু ফোরামের জেলা কমিটিরসাঃ সম্পাদক জসিম মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হাসান ফাহাদ,

পরশ মাহমুদ, হক মান্নান ইসলাম দুলাল, রিমু খান ঠান্ডু, শরীফ কাজী,রহিম মোল্লা , সবুজ আলম, নয়ন ঢালী,হাকিম, রবিনআকন,সিফাত, জুম্মান, জরিপ,আলামিন, রিমন দেওয়ান, নূর আলম শেখ, নূর আলমসহ অনেকেই।

কার্টনে ছিল মাথা ও মরদেহের খন্ডাংশ

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
কার্টনে ছিল মাথা ও মরদেহের খন্ডাংশ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মাসেতু টোলপ্লাজা সংলগ্ন মেদিনীমণ্ডলে ঢাকামাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে কার্টন বাক্সে রাখা অবস্থায় এক জনপুরুষের মাথা মরদেহের খন্ডাংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার ( এপ্রিল) বিকাল ৩টার দিকে স্থানীয় লোকজন কার্টনে মরদেহের খন্ডাংশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

ব্যাপারে পদ্মা সেতু উত্তর থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, “আমরা অজ্ঞাত এক পুরুষের  মাথা  শরীরের কিছু অংশ পেয়েছি। মাথাদেখে মনে হচ্ছে এটি কোন পুরুষের মরদেহ। যার চুল ছোট ছোট রয়েছে। এর কিছু অংশবিশেষ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকায় পাওয়া গেছে বলেআমরা জানতে পেরেছি। তদন্তের পরে বিস্তারিত বলতে পারবো।

সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ইউপি সদস্যের উদ্যোগে যুব সমাজ নিয়ে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা রাজানগর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জি আই চৌধুরী লিটন এর উদ্যোগে তেঘুরিয়া এলাকার যুব সমাজের মাঝে এ মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, শেখরনগর ফাড়ির আইসি তাজুল ইসলাম, এস আই আবুল কালাম আজাদ, এস আই মোঃ আক্কাস, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাশেম সরদার, মোঃ ইমান আলী,বিশ্ব মসজিদের ইমাম সাহেব।
এ সময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, এলাকাবাসী ও যুব সমাজের দাবি নিরীহ লোকজনদের কোন রকম হয়রানি করলে প্রতিবাদ করা হবে। পূর্বে আমলে যারা পুলিশ ছিলেন, মাদক সেবীদের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষদের হয়রানি করেছেন বলে যুব সমাজ জানান এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বলেন, আপনাদের সর্বপরি সহযোগিতা করা হবে কোন অন্যায়কারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবনকারীদের কোনরকম ছাড় দেওয়া হবে না। তবে সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের দাবি একান্ত সহযোগিতার চেয়েছেন এবং এলাকায় যে কোন ধরনের পরিস্থিতিতে এলাকায় বাসি পুলিশের সর্বাধিক সহযোগিতা পাবে বলে আশ্বাস দেন। কোন অন্যায় কোন অপকর্ম আমি যতদিন রয়েছি এখানে কোন অবৈধ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না বলে জানান আইসি তাজুল ইসলাম।
এ সময় রাজানগর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি জে আই চৌধুরী লিটন বলেন, মাদকের কোন অবস্থান এখানে থাকবে না এবং কোন রকম অপকর্ম করতে দেওয়া হবে না সর্বোপরি যুব সমাজকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।