খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ২০ চৈত্র, ১৪৩১

খুলনা-চিটাগং

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মাঠে নামছে খুলনা-চিটাগং

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মাঠে নামছে খুলনা-চিটাগং

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মাঠে নামছে খুলনা-চিটাগং

গেলবারের চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল এবারও ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। টানা দ্বিতীয় শিরোপার হাতছোঁয়া দূরত্বে অবস্থান করছে দলটি। শিরোপার লড়াইয়ে তাদের বিপক্ষে কোন দল মাঠে নামবে, সেটি নির্ধারণের জন্য আজ মাঠে নামছে খুলনা টাইগার্স-চিটাগং কিংস।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের এই ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। মাঠে নামার আগে দুটি দলই নিজেদের মতো করে পরিকল্পনা করেছে প্রতিপক্ষকে আটকাতে।

এবারের বিপিএলে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হয়েছে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক নিয়ে। দুর্বার রাজশাহীর পাশাপাশি সেই সমালোচনায় নাম ছিল চিটাগংয়েরও। তবে দলটি মাঠের লড়াইয়ে পিছিয়ে ছিল না। টেবিলের দুইয়ে থেকে প্রথম কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করেছে কিংস বাহিনী। কিন্তু সেই ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে সুবিধা করতে পারেনি। এবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আরো একটি সুযোগ এসেছে।

প্রতিপক্ষ দল খুলনাও পিছিয়ে নেই। গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই মেহেদী হাসান মিরাজের দল নকআউট ম্যাচ হিসেবে খেলে আসছে। তাদের সমীকরণটাই ছিল তেমন, কোনো ম্যাচে হারলেই বাদ পড়তে হবে। আজই তেমনই সমীকরণ, জিতলে ফাইনাল নিশ্চিত হবে আর হারলে বাদ পড়তে হবে।

মাঠে নামার আগে চিটাগংয়ের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন বলেছেন, ‘আলাদা করে কোনো পরিকল্পনা করছি না। দলের যে শক্তির জায়গা রয়েছে, সেটি ধরেই এগিয়ে যেতে চাই। আর প্রতি দলেরই আলাদা আলাদা কৌশল রয়েছে, আমাদেরও এমন কৌশল রয়েছে। সেগুলো নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই। খুলনার বিপক্ষে আমরা দুটি ম্যাচ খেলে এসেছি, তাদের শক্তি সম্পর্কেও আমাদের ধারণা রয়েছে। নতুন কিছু খেলোয়াড় এসেছে, সেটি নিয়েও পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। এই স্বাভাবিক বিষয়গুলো ধরেই এগিয়ে যাব।’

নতুন কোনো বিদেশি ক্রিকেটার দলে যোগ দেবেন কি না, এমন প্রশ্নে মিঠুন বলেছেন, ‘না, এখনো পর্যন্ত এমন কোনো পরিকল্পনা নেই। আমরা ঐটাতে বিশ্বাসী না যে, রাতারাতি একজন খেলোয়াড়কে আনলাম আর ডেলিভার করল। দলের সঙ্গে, কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার একটা ব্যাপার থাকে। আর আমাদের দলের বিদেশিরা খারাপ করেনি, ভালোই করেছে তারা। সুতরাং তাদের ওপর আমরা বিশ্বাস রাখতেই পারি। হায়দার আলীর ইনজুরি আমাদের কিছুটা ভোগাবে। তবু টি-টোয়েন্টি একটা দিনের খেলা, এই দিনে যে ভালো করবে সেই এগিয়ে থাকবে।’

এদিকে প্রথম কোয়ালিফায়ার খেলার আগে গুঞ্জন উঠেছিল, টাকা না পেলে মাঠে নামবে না চিটাগং। সেই বিষয়ে মিঠুন বলেছেন, ‘এই ধরনের কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। আমি টিম হোটেলেই আছি। এই ধরনের কোনো কথা শুনিনি কোনো খেলোয়াড়ের কাছে যে, টাকার জন্য খেলতে যাচ্ছে না।’ একাদশ বিপিএলে অবশ্য বিষয়টি নতুন নয়। টাকা না পেয়ে রাজশাহীর বিদেশি ক্রিকেটাররা মাঠে আসেননি। এমনকি পুরো দলই অনুশীলন বয়কটের মতো ঘটনাও ঘটিয়েছিল।

এদিকে চিটাগংয়ের মালিকপক্ষ নিয়ে মিঠুন বলেছেন, ‘আমি বলব না, আমাদের সবকিছু ভালোভাবে চলছে। একটা মানুষ যখন ১২-১৩ বছর কিংবা ১৫ বছর পর আসে একটা সংগ্রামী জীবন শেষে, তাকে কিছুটা ছাড় দেওয়া উচিত। তিনি মানুষ হিসেবে অসাধারণ। ক্রিকেটারদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, আন্তরিকভাবে মেশেন। টুকিটাকি ভুল সবারই থাকে, সব ফ্রাঞ্চাইজিরই আছে। কোনো কিছুকে বড় করে হাইলাইটস করার কিছু নেই। আমরা সমস্যার ঊর্ধ্বে কেউই না। সমস্যা থাকলে সেটার সমাধানও আছে।’

এদিকে টালমাটাল পরিস্থিতিতেও শান্তভাবে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে চিটাগং। দলটির দেশি খেলোয়াড়দের ওপর বেশি ভরসা রাখছেন মিঠুন। বিশেষ করে শামীম পাটোয়ারিকে নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী তিনি। মিঠুন বলেন, ‘বাংলাদেশিদের মধ্যে শামীম আলাদা। সাধারণত বাংলাদেশিরা যেভাবে ব্যাটিং করে, সেটি থেকে শামীমের ব্যাটিং ব্যতিক্রম। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই ধরনের শট দেখতে মজা লাগে। আমি নিজেই শামীমের একজন বড় ভক্ত। সে ফিল্ডিংয়েও অসাধারণ। আশা করব সে এভাবেই জ্বলে উঠবে।’

খুলনাও দেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে মূল পরিকল্পনা সাজিয়েছে। গতকাল খুলনার ব্যাটিং কোচ নাসিরউদ্দিন ফারুক সজিব বলেছেন, ‘যারা আসর জুড়ে পারফরম করে এসেছে, তাদের ওপরই ভরসা রাখা হচ্ছে। আর বিদেশিরা থাকবে বোনাস হিসেবে। মূল কাজটি করতে হবে স্থানীয় ক্রিকেটারদের, বিদেশিরা সেখানে এগিয়ে এলে কাজটি সহজ হবে।’ এদিকে খুলনা আগে থেকেই নকআউট ম্যাচের মধ্যে আছে বলে মিরাজদের ব্যাটিং কোচও মনে করিয়ে দিয়েছেন। যে প্রক্রিয়ায় তারা এগিয়ে চলেছেন, তারই ধারাবাহিকতা আজকের ম্যাচে দেখাতে চায় খুলনা।

লৌহজংয়ে মেয়েকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে থানায় মামলা

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:১৩ অপরাহ্ণ
লৌহজংয়ে মেয়েকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে থানায় মামলা

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় মেয়েকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বাবা এম. বাকার (৫৫)কে হত্যার অভিযোগে থানায় হত্যা মামলাদায়ের করা হয়েছে।

ঘটনায় নিহতের মেয়ে তৌনিক শশীনূর যুথী (২৭) বাদী হয়ে তিন জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মঙ্গলবার ( এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে লৌহজং উপজেলার সাতঘড়িয়া এলাকায় ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন হলদিয়া ইউনিয়নেরসাতঘড়িয়া এলাকার শেখ তোফায়েল আহাম্মেদ জামাল (৫৪), মো. ফয়সাল ওরফে বাবু (৪২) এবং মো. কামাল শেখ (৫৬)

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিহত এম. বাকার নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার মোহরপাড়া এলাকার বাসিন্দা হলেও পরিবারসহলৌহজং উপজেলার সাতঘড়িয়ায় বসবাস করতেন।

তার স্ত্রী রওশন আরা (৫০) এর সঙ্গে অভিযুক্ত শেখ তোফায়েল আহাম্মেদের ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যেবিরোধ চলছিল।

বাদীর অভিযোগ, শেখ তোফায়েল আহাম্মেদ ভয় দেখিয়ে তার মায়ের কাছ থেকে সাদা স্ট্যাম্প কাবিননামায় স্বাক্ষর নেন এবং নানাভাবেহয়রানি করছিলেন। এরই জেরে পহেলা  এপ্রিল সকালে তৌনিক শশীনূর যুথী তার পরিবারের সদস্যরা শ্রীনগর যাওয়ার পথে অভিযুক্তরাতাদের পথরোধ করেন।

সময় শেখ তোফায়েল আহাম্মেদ নিহত এম. বাকারকে গালিগালাজ করলে তার দুই মেয়ে প্রতিবাদ করেন। এরপর অভিযুক্তরা বাকারকেএলোপাতাড়ি মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকবেলা ১২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

লৌহজং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারুন অর রশীদ জানান, “আমরা জানতে পেরেছি দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।পরে এম. বাকার মাটিতে পড়ে যান এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো দৃশ্যমান চিহ্নপাওয়া যায়নি।

ওসি আরও জানান, ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সিরাজদিখানে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের অস্ত্রের আঘাতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গুরুত্বর আহত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
সিরাজদিখানে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের অস্ত্রের আঘাতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গুরুত্বর আহত

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এটিএম রুহুল আমিন (৬৫) নামে ইউনিয়ন পরিষদেরসাবেক চেয়ারম্যান গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বজনরা।

মঙ্গলবার বিকেলের দিকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

আহত রুহুল আমিন মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রসুনিয়া গ্রামের মৃত দীন মোহাম্মদের ছেলে। তিনি সিরাজদিখান সদর ইউনিয়নপরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

আহতের বড় ছেলে মো. সাকলাইন বলেন, ‘আমার বাবা সিরাজদিখান সদরের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। আজ দুপুরের দিকেআমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে বাবা পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় সন্ত্রাসী মনির, মিঠুন, দুলাল মেম্বারসহ আরও থেকে জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার বাবার মাথা পায়ে কুপিয়ে গুরুতরআহত করে পালিয়ে যায়।

সাকলাইন আরও বলেন, ‘খবর পেয়ে বাবাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্যআজ বিকেলের দিকে ঢাকা মেডিকেলে দিকে নিয়ে আসি। বর্তমানে জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে আমার বাবাচিকিৎসাধীন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক।

এব্যাপারে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন দুলাল মেম্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এঘটনার সাথে জড়িত নই। তারা ভুলবশতআমাকে জড়িয়েছে।

সিরাজদিখানে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলা, টাকা-স্বর্ন লুট, শ্লীলতাহানির অভিযোগ

লতা মন্ডল
প্রকাশিত: বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫, ৫:১০ অপরাহ্ণ
সিরাজদিখানে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলা, টাকা-স্বর্ন লুট, শ্লীলতাহানির অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে  অটোচালকের সাথে তর্কবিতর্কের জের ধরে,দূর্তগতির অটোচালকে ওভারটেক করতে না দেওয়ায় হাইএসমাইক্রোবাসের মালিক  দক্সিন আফ্রিকা প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলা টাকাস্বর্ন লুট, শ্লীলতাহানি, মারপিটের অভিযোগ উঠেছে।উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের কুসুমপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

ভয় দেখিয়ে তাদের বাড়িছাড়া করবেন বলে মঙ্গলবার অভিযোগ করেনদক্ষিন আফ্রিকা প্রবাসী করিম খানের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার জিনিয়া প্রবাসীর স্ত্রী রাবেয়া আক্তার জিনিয়া জানান, মঙ্গলবার বেলা সারে ১১টায় পরিবারের লোকজন নিয়ে আত্মিয়ের বাড়ি লৌহজং উপজেলায় প্রাইভেট গাড়ি হাইয়েস নিয়ে যাওয়ার সময় চন্দধূল এলাকায় একটিদূর্তগতির অটোরিক্সা/ইজিবাইক সরুরাস্তায় ওভারটেক করতে না পেরে আমাদের গাড়ি থামিয়ে খারাপ ভাষায় গালমন্দ বকাঝকা করলেগাড়িতে থাকা আমার  প্রবাসী স্বামী করিম খান,আমার ভাই মিনহাজুল ইসলাম পাপ্পু  তাদের খারাপ কথার প্রতিবাদ করলে তাদের মধ্যেঝগড়া বিবাদ বাধলে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে মিমাংশা করে দেন। কিন্তুু কিছু দূর কুসুমপুর মাঠের সামনে আমারা যেতেই আটোচালকের লোকজন আমাদের পথরোধ করে চন্দধূল গ্রামের মোঃ রনি,জব্বর,রাসেল,সারোয়ারসহ আরোও ১০/১৫জন আমাদের গাড়ি থামিয়েআমাদের সবাইকে টেনে হিচড়ে গাড়ি থেকে বের করে এলাপাথারি মারধর করেন। এ সময়ে আমার স্বামীর পকেটে থাকা ৩৫ হাজারটাকা,আমার একভড়ি ওজনের গলার চেইন লুট করে নেয়। আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মনি আক্তার  ছয় মাসের মাসের গর্ববতী তাকে  জামাকাপড় ছিড়ে শ্লীলতাহানি করে পেটে কিলঘুষি লাথি মেরে গুরুত্বর  আহত করে।

দক্ষিন আফ্রিকা প্রবাসী করিম খান বলেন আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকি।  রোজার সময় দেশে এসেছি। এলাকার অনেককেই চিনি না, আমাকেও তারা চিনেন না। সরু রাস্তা হওয়ায় আমারা আস্তে গাড়ি চালাচ্ছিলাম। গাড়িতে আমাদের পরিবারের লোকজন ছিল। পরিকল্পিতভাবে আমাদের উপর হামরা করে, আমাদের মারধর করে টাকা, স্বর্ন নিয়ে গেছে। আমি প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট এর সঠিকবিচার চাই।

সিরাজদিখান থানার অফিসার্স ইনচার্জ(ওসি) শাহেদ আলম মামুন বলেন, বিষয়ে সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে।অপরদিকে তাদের বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অভিযোগ করেছে। আমরা দুটিই তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে বলা যাবে ঘটনার নেপথ্যে কারা।