সিরাজদিখানে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলা, টাকা-স্বর্ন লুট, শ্লীলতাহানির অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে অটোচালকের সাথে তর্কবিতর্কের জের ধরে,দূর্তগতির অটোচালকে ওভারটেক করতে না দেওয়ায় হাইএসমাইক্রোবাসের মালিক দক্সিন আফ্রিকা প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলা টাকা–স্বর্ন লুট, শ্লীলতাহানি, মারপিটের অভিযোগ উঠেছে।উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের কুসুমপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।
ভয় দেখিয়ে তাদের বাড়িছাড়া করবেন বলে মঙ্গলবার অভিযোগ করেনদক্ষিন আফ্রিকা প্রবাসী করিম খানের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার জিনিয়া । প্রবাসীর স্ত্রী রাবেয়া আক্তার জিনিয়া জানান, মঙ্গলবার বেলা সারে ১১টায় পরিবারের লোকজন নিয়ে আত্মিয়ের বাড়ি লৌহজং উপজেলায় প্রাইভেট গাড়ি হাইয়েস নিয়ে যাওয়ার সময় চন্দধূল এলাকায় একটিদূর্তগতির অটোরিক্সা/ইজিবাইক সরুরাস্তায় ওভারটেক করতে না পেরে আমাদের গাড়ি থামিয়ে খারাপ ভাষায় গালমন্দ বকাঝকা করলেগাড়িতে থাকা আমার প্রবাসী স্বামী করিম খান,আমার ভাই মিনহাজুল ইসলাম পাপ্পু তাদের খারাপ কথার প্রতিবাদ করলে তাদের মধ্যেঝগড়া বিবাদ বাধলে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে মিমাংশা করে দেন। কিন্তুু কিছু দূর কুসুমপুর মাঠের সামনে আমারা যেতেই আটোচালকের লোকজন আমাদের পথরোধ করে চন্দধূল গ্রামের মোঃ রনি,জব্বর,রাসেল,সারোয়ারসহ আরোও ১০/১৫জন আমাদের গাড়ি থামিয়েআমাদের সবাইকে টেনে হিচড়ে গাড়ি থেকে বের করে এলাপাথারি মারধর করেন। এ সময়ে আমার স্বামীর পকেটে থাকা ৩৫ হাজারটাকা,আমার একভড়ি ওজনের গলার চেইন লুট করে নেয়। আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মনি আক্তার ছয় মাসের মাসের গর্ববতী তাকে জামাকাপড় ছিড়ে শ্লীলতাহানি করে পেটে কিলঘুষি লাথি মেরে গুরুত্বর আহত করে।
দক্ষিন আফ্রিকা প্রবাসী করিম খান বলেন আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকি। রোজার সময় দেশে এসেছি। এলাকার অনেককেই চিনি না, আমাকেও তারা চিনেন না। সরু রাস্তা হওয়ায় আমারা আস্তে গাড়ি চালাচ্ছিলাম। গাড়িতে আমাদের পরিবারের লোকজন ছিল। পরিকল্পিতভাবে আমাদের উপর হামরা করে, আমাদের মারধর করে টাকা, স্বর্ন নিয়ে গেছে। আমি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট এর সঠিকবিচার চাই।
সিরাজদিখান থানার অফিসার্স ইনচার্জ(ওসি) শাহেদ আলম মামুন বলেন, এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে।অপরদিকে তাদের বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অভিযোগ করেছে। আমরা দুটিই তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে বলা যাবে ঘটনার নেপথ্যে কারা।
আপনার মতামত লিখুন