খুঁজুন
শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫, ২২ চৈত্র, ১৪৩১

শ্রদ্ধায় সিক্ত হতে প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
শ্রদ্ধায় সিক্ত হতে প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ

এক প্রহর পরেই লাখো বাঙালির রক্তের বিনিময়ে অর্জিত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে পরাধীনতার শিকল ছিঁড়ে মুক্তির স্বাদ পায় এই জাতি।

মানচিত্রে জায়গা দখল করে নেয় স্বাধীন লাল-সবুজের বাংলাদেশ। আর যাদের আত্মত্যাগে স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে বাঙালি, তাদের এই দিনে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করবে গোটা জাতি। তাই স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রতিবারের মতো সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধকে সাজানো হয়েছে বাহারি সাজে। ধুয়ে-মুছে করা হয়েছে পরিপাটি। পুরো সৌধ প্রাঙ্গণে রোপণ করা হয়েছে লাল-নীল-হলুদ ফুলগাছ। পুরো সৌধ এলাকায় বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা।

 

বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টাসহ বিদেশি কূটনৈতিকরা। শ্রদ্ধা নিবেদনে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও অনুশীলন করছেন শেষ মুহূর্তের কুচকাওয়াজ।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) দুপুরে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে পুরো সৌধ এলাকা সাজানো হয়েছে বাহারি রঙে। চিত্রকর্মীর নিপুণ তুলির আঁচড়ে বিজয়ের রূপ নিয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। সাভার গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা প্রায় মাস ধরে গাছপালা কেটে-ছেঁটে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। পুরো সৌধ প্রাঙ্গণের লাল ইটের স্থাপনা ধুয়ে-মুছে পরিপাটি করে তুলেছেন এক দল পরিচ্ছন্নকর্মী।

পুরো সৌধ এলাকায় লাল-নীল ও হলুদসহ নানা রঙের ফুল গাছের সহস্রাধিক চারার মাধ্যমে বিজয়ের সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। এসব প্রস্তুতি দেখে মনে হয় শ্রদ্ধা গ্রহণে বুক পেতে আছে বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা। 

স্মৃতিসৌধের পরিচ্ছন্নকর্মী মো. শহিদুল বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আমরা প্রায় মাসব্যাপী জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছি। স্মৃতিসৌধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজসহ বিভিন্ন কাজ করে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুত করে তোলা হয়েছে। রাতের স্মৃতিসৌধে ভিন্ন রূপ আনতে লাল-নীল আলোকবাতি দিয়ে সাজানো হয়েছে। আমিসহ আরও অনেক শ্রমিক দলে দলে বিভক্ত হয়ে আমরা স্মৃতিসৌধে কাজ করেছি। প্রতিবছরই আমরা এই কাজ করে থাকি। এই কাজ করকে পেরে আমরা গর্বিত।

পরিচ্ছন্নকর্মী হালিমা বাংলানিউজকে বলেন, আমরা প্রতিবছর দুই দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ধোয়া-মোছার কাজ করে থাকি। যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি তাদের কবর ও স্মৃতির স্তম্ভ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করতে পেরে আমি নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করি। আমি বাকি জীবনে এই শহীদদের কবর যেন পরিষ্কার করতে পারি, তাদের জন্য কাজ করতে পারি এটাই চাই। তাহলে জীবনকে স্বার্থক মনে করবো। আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, সে সময় হয়তো আমি থাকলে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতাম। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পারিনি, কিন্তু এই যুদ্ধে আত্মত্যাগীদের জন্য কাজ করতে পেরেছি। এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।

জাতীয় স্মৃতিসৌধের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে প্রস্তুত করার জন্য ১৬ মার্চ থেকে স্মৃতিসৌধে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও বিদেশি কূটনৈতিকরা শ্রদ্ধা জানানোর পর সবার জন্য স্মৃতিসৌধের ফটক উন্মুক্ত করা হবে। ইতোমধ্যে সৌধ প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, আলোকসজ্জা ও সিসিটিভি স্থাপনসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

নিরাপত্তার বিষয়ে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন) সিদ্দিকুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পুলিশের পক্ষ থেকে চার স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গাজীপুরসহ আশপাশের ১৮ জেলার কয়েক হাজার পুলিশ সদস্য জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসেছেন। পোশাকের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিশের বিভিন্ন গোয়েন্দা ইউনিটের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ১২টি ইউনিট হয়ে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার কাজ করবেন। জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় চলাচল নির্বিঘ্ন করতে বিভিন্ন ট্রাফিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এবার কোনো হুমকি না থাকলেও বিশৃঙ্খলা বা অরাজকতা রোধে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

শ্রীনগরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:২১ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি  মিনিবার ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিতহয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় উপজেলার রাঢ়ীখাল ইউনিয়ন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের আয়োজনে মাইজপাড়া মাঠে ফুটবলটুনামেন্টের ফাইনাল খেলা পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

আরাফাত রহমান কেকো স্মৃতি সংসদ মুন্সীগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব শিশির চৌধুরী আরিফের সভাপতিত্বে শ্রীনগর উপজেলার  সভাপতিসাব্বির রহমান বাহাদুরের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়কসম্পাদক মীর সরফত আলী সপু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলেরকেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জল।

এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্রীনগর সরকারী কলেজের ভিপি রফিকুল ইসলাম রজন, নারী শিশু ফোরামের জেলা কমিটিরসাঃ সম্পাদক জসিম মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হাসান ফাহাদ,

পরশ মাহমুদ, হক মান্নান ইসলাম দুলাল, রিমু খান ঠান্ডু, শরীফ কাজী,রহিম মোল্লা , সবুজ আলম, নয়ন ঢালী,হাকিম, রবিনআকন,সিফাত, জুম্মান, জরিপ,আলামিন, রিমন দেওয়ান, নূর আলম শেখ, নূর আলমসহ অনেকেই।

কার্টনে ছিল মাথা ও মরদেহের খন্ডাংশ

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
কার্টনে ছিল মাথা ও মরদেহের খন্ডাংশ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মাসেতু টোলপ্লাজা সংলগ্ন মেদিনীমণ্ডলে ঢাকামাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে কার্টন বাক্সে রাখা অবস্থায় এক জনপুরুষের মাথা মরদেহের খন্ডাংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার ( এপ্রিল) বিকাল ৩টার দিকে স্থানীয় লোকজন কার্টনে মরদেহের খন্ডাংশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

ব্যাপারে পদ্মা সেতু উত্তর থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, “আমরা অজ্ঞাত এক পুরুষের  মাথা  শরীরের কিছু অংশ পেয়েছি। মাথাদেখে মনে হচ্ছে এটি কোন পুরুষের মরদেহ। যার চুল ছোট ছোট রয়েছে। এর কিছু অংশবিশেষ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকায় পাওয়া গেছে বলেআমরা জানতে পেরেছি। তদন্তের পরে বিস্তারিত বলতে পারবো।

সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যের উদ্যোগে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ইউপি সদস্যের উদ্যোগে যুব সমাজ নিয়ে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা রাজানগর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জি আই চৌধুরী লিটন এর উদ্যোগে তেঘুরিয়া এলাকার যুব সমাজের মাঝে এ মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, শেখরনগর ফাড়ির আইসি তাজুল ইসলাম, এস আই আবুল কালাম আজাদ, এস আই মোঃ আক্কাস, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাশেম সরদার, মোঃ ইমান আলী,বিশ্ব মসজিদের ইমাম সাহেব।
এ সময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, এলাকাবাসী ও যুব সমাজের দাবি নিরীহ লোকজনদের কোন রকম হয়রানি করলে প্রতিবাদ করা হবে। পূর্বে আমলে যারা পুলিশ ছিলেন, মাদক সেবীদের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষদের হয়রানি করেছেন বলে যুব সমাজ জানান এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বলেন, আপনাদের সর্বপরি সহযোগিতা করা হবে কোন অন্যায়কারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবনকারীদের কোনরকম ছাড় দেওয়া হবে না। তবে সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের দাবি একান্ত সহযোগিতার চেয়েছেন এবং এলাকায় যে কোন ধরনের পরিস্থিতিতে এলাকায় বাসি পুলিশের সর্বাধিক সহযোগিতা পাবে বলে আশ্বাস দেন। কোন অন্যায় কোন অপকর্ম আমি যতদিন রয়েছি এখানে কোন অবৈধ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না বলে জানান আইসি তাজুল ইসলাম।
এ সময় রাজানগর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি জে আই চৌধুরী লিটন বলেন, মাদকের কোন অবস্থান এখানে থাকবে না এবং কোন রকম অপকর্ম করতে দেওয়া হবে না সর্বোপরি যুব সমাজকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।