মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে নিয়ম অনিয়মের সুযোগ সুবিধার অভিযোগ।

মুন্সিগঞ্জ জেল কারাগারে আইনশৃঙ্খলা কারারক্ষীদের মাধ্যমে সুযোগ সুবিধার নিয়ম অনিয়মের ভিতর বাহিরে দুর্নীতি সিন্ডিকেটের অভিযোগ উঠেছে।
বাংলাদেশ সংবিধান কারাগার অধিদপ্তরের যে নিয়ম অনুযায়ী থাকলেও তার পরেও এ কারাগারে দুর্নীতির কর্মকান্ড উঠেছে তেমন কারারক্ষী দিয়ে কারাগারে ভেতরে ও বাইরের সব চাঁদা তোলা হয়। কোনো ওয়ার্ডের মেড কে হবে, রাইটার হবে কে, কোন দায়িত্বে যেতে কত টাকা দেবে, কার রেট বেশি, কোন ওয়ার্ড থেকে মাসিক কত টাকা কালেকশন হবে এগুলোর দায়িত্বে রয়েছেন তারা।
ঠিকমতো মাসে টাকা পরিশোধ করতে না পারলে বন্দিদের ওপর চলে অমানবিক নির্যাতন। ওই গ্রুপের সঙ্গে কোনো কারারক্ষী যোগ না দিলে মিলবে না কোনো সুযোগ-সুবিধা। এসব কিছু অনিয়মের কলকাঠি নাড়েন কারারক্ষী যার কারণে ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না অবিচারের অনেকেই।
জেল কারাগারে বাণিজ্য : সদ্য মুক্তি পাওয়া কয়েকজন বন্দি সাংবাদিক সুজন বেপারী কে বলেন, কারাগারের ভেতরে ক্যান্টিনে রান্না করা ১টি ডিম বিক্রি করা হয় ৪০-৫০ টাকায়। কিন্তু পিসি বইতে ডিমের পরিবর্তে দেখানো হয় আইসক্রিম বা অন্য কোনো পণ্য চলে হয়রানি। পরে সেখানে নিয়মিত থাকতে চাইলে প্রতি মাসে দিতে হয় টাকা। এ টাকা ওই গ্রুপের সঙ্গে কোনো কারারক্ষী যোগ না দিলে মিলবে না কোনো সুযোগ-সুবিধা ও ফার্মাসিস্ট মিলে ভাগবাঁটোর। ইতিপূর্বে মাগুরা জেলা কারাগার থেকে ৩ই মার্চ তারিখের আদেশে ১২ই মার্চ ২০২৪খ্রি. মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে জেলার হিসেবে যোগদান করলে নূর মোহাম্মদ মৃধার অনৈতিক কার্যকলাপের একটি ভিডিও সামাজিক গণমাধ্যমে ভাইরালের পর তাকে বদলি করা হয়।
এবিষয়ে মুন্সিগঞ্জ জেল কারাগার জেল সুপার মোঃ বদরুদ্দোজা বলেন, মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি নামাজে যাচ্ছেন তবে অফিসে আসেন এবিষয়ে কোনো সুযোগ সুবিধার পিছনে অনিয়মের দুর্নীতির অভিযোগ পেলে আইননুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন