অনলাইন ডেস্ক
৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ১৬৬ জন

গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বাড়ছে– এমন দাবি মিথ্যা: প্রেস উইং

আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি পড়লে অন্তর্বর্তী সরকার আরও ছয় মাস ক্ষমতায় থাকবে- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন দাবিকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস-এর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, গণভোটের ফল ‘হ্যাঁ’ হলে ইউনূস সরকার ছয় মাস পর ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। এই দাবির সপক্ষে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের একটি ফটোকার্ডও ছড়ানো হচ্ছে, যার মূল শিরোনাম ছিল–‘নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা ১৮০ দিন গণপরিষদ হিসেবে কাজ করবেন: আলী রীয়াজ।’

এই বিভ্রান্তির ব্যাখ্যা দিয়ে প্রেস উইং জানায়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ও বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী রীয়াজ মূলত বলেছেন, ‘গণপরিষদ বা সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধা সৃষ্টি হবে–এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।’

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম দিন থেকেই সংসদ স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং সরকার গঠন করবে। তবে সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনের জন্য নির্বাচিত সদস্যরা আলাদা শপথ নিয়ে ১৮০ দিনের মধ্যে সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অধ্যাপক আলী রীয়াজ কোথাও বলেননি যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১৮০ দিন গণপরিষদ হিসেবে কাজ করবে। বরং এই দায়িত্ব পালন করবেন পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই।

এ ছাড়া ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সাংবিধানিক সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এর উদ্ধৃতি দিয়ে বিবৃতিতে জানানো হয়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হলে আগামী সংসদের একটি দ্বৈত ভূমিকা থাকবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য এবং সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ওই আদেশের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই পরিষদ প্রথম বৈঠকের দিন থেকে ১৮০ কর্মদিবসের মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ করবে এবং এরপর পরিষদের কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হবে।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে সংসদ সদস্যরা একদিকে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন, অন্যদিকে সাংবিধানিক সংস্কারের কাজ করবেন। কিন্তু প্রচলিত আদেশের কোথাও অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ বাড়ানোর কোনো ইঙ্গিত নেই। সংস্কার প্রক্রিয়া শেষ হলে সংসদের দ্বৈত ভূমিকার অবসান ঘটবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা কেবল সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মুন্সীগঞ্জে বাবাকে কুপিয়ে জখম, ৬ বছরের শিশুকন্যাকে হত্যা

১

শিশুখাদ্য চিপসে ক্ষতিকর রং ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল সল্ট, জরিমানা ১ লাখ ৭০ হাজার

২

শ্রীনগরে জমি দখলের চেষ্টা, হেলমেট বাহিনীর হামলায় আহত ২

৩

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়লো

৪

হাসিনাকে ফেরাতে কী করবে ভারত, জানাল নয়াদিল্লি

৫

সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে ৩১ ব্যাংকের কার্ড ও ডিজিটাল লেনদেন

৬

বাংলাদেশের কেনার আলোচনার মধ্যেই চীনা যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

৭

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ১৫৭, নিখোঁজ ৪০৩

৮

শিশু হামের টিকা পেয়েছে কি না, ভ্যাকসিন কার্ড দেখে বুঝবেন যেভাবে

৯

যে ৫ কৌশলে স্পেনকে হারাতে পারে মেসির আর্জেন্টিনা

১০

বিশ্বকাপ ফাইনাল: হাফটাইম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল ফিফা

১১

বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল কত টাকা পাবে?

১২

বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব ক্রয়, সব ম্যাচ দেখাবে বিটিভি

১৩

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ইতিহাস গড়া জয়

১৪

শ্রীনগরের বালাশুরে সরকারি দীঘি দখলের চেষ্টা থানায় অভিযোগ

১৫

ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্ট স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট জব্দ

১৬

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ হোক

১৭

ইশরাকের আসনে ভোটকেন্দ্রে ঢুকে প্রিজাইডিং অফিসারের ওপর হামলা বিএনপি নেতাকর্মীদের

১৮

অবরুদ্ধ জামায়াত নেতাকে উদ্ধার করলেন এনসিপি নেত্রী ডা. মিতু

১৯

ভোটকেন্দ্রের সামনে বস্তাভর্তি টাকাসহ স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আটক

২০