স্টাফ রিপোর্টার
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১:১৫ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ২৫৬ জন

ফের রিজার্ভ বেড়ে ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

ফের রিজার্ভ বেড়ে ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
ফের রিজার্ভ বেড়ে ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো অবস্থায় আছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রফতানি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ ফের ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী সবশেষ ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রোস রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার।  তবে ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ এখনো ১৫ বিলিয়নের ঘরে রয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ ছিল ২১ দশ‌মিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে গত ৯ জানুয়ারি এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের আমদানি বিল বাবদ ১৬৭ কোটি ডলার পরিশোধ কারার পর রিজার্ভ কমে ২০ বিনিয়ন ডলারে নেমে যায়। পরে ২২ জানুয়ারি ফের কমে রিজার্ভ; ওই সময় গ্রোস রিজার্ভ দাড়ায় ২৫ দশমিক ২২১ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে অর্থাৎ ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলানে নেমে যায়।

চলতি বছরের শুরুতে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ ছিল ২১ দশ‌মিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার।

মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। তবে এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, তা হ‌লো ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ। এ তথ্য আনুষ্ঠা‌নিক প্রকাশ ক‌রে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেখানে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ এর হিসাব করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেই হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্যপ্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলার কাছাকাছি আছে। প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলার হিসেবে এ রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যা‌বে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়নের ডলারের নিচে নামে। সে সময় বৈদেশিক ঋণ ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়ানো হয়। আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর নতুন গভর্নর এসে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রেখেছে। আবার বিভিন্ন সোর্স থেকে ডলার যোগানের চেষ্টা করছে। তবে আগের দায় পরিশোধ করতে গিয়ে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে কাছে উঠানামা করছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রী খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন আগামীকাল

১

শিশুখাদ্য চিপসে ক্ষতিকর রং ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল সল্ট, জরিমানা ১ লাখ ৭০ হাজার

২

শ্রীনগরে জমি দখলের চেষ্টা, হেলমেট বাহিনীর হামলায় আহত ২

৩

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়লো

৪

হাসিনাকে ফেরাতে কী করবে ভারত, জানাল নয়াদিল্লি

৫

সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে ৩১ ব্যাংকের কার্ড ও ডিজিটাল লেনদেন

৬

বাংলাদেশের কেনার আলোচনার মধ্যেই চীনা যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

৭

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ১৫৭, নিখোঁজ ৪০৩

৮

শিশু হামের টিকা পেয়েছে কি না, ভ্যাকসিন কার্ড দেখে বুঝবেন যেভাবে

৯

যে ৫ কৌশলে স্পেনকে হারাতে পারে মেসির আর্জেন্টিনা

১০

বিশ্বকাপ ফাইনাল: হাফটাইম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল ফিফা

১১

বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল কত টাকা পাবে?

১২

বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব ক্রয়, সব ম্যাচ দেখাবে বিটিভি

১৩

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ইতিহাস গড়া জয়

১৪

শ্রীনগরের বালাশুরে সরকারি দীঘি দখলের চেষ্টা থানায় অভিযোগ

১৫

ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্ট স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট জব্দ

১৬

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ হোক

১৭

ইশরাকের আসনে ভোটকেন্দ্রে ঢুকে প্রিজাইডিং অফিসারের ওপর হামলা বিএনপি নেতাকর্মীদের

১৮

অবরুদ্ধ জামায়াত নেতাকে উদ্ধার করলেন এনসিপি নেত্রী ডা. মিতু

১৯

ভোটকেন্দ্রের সামনে বস্তাভর্তি টাকাসহ স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আটক

২০