ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লা ও ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান ইনসাফভিত্তিক, ন্যায় ও সমতাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটে সিল দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম। তিনি বলেন, ইনসাফ মানে শুধু ন্যায়বিচার নয়; এটি মানুষের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করার একটি নৈতিক অঙ্গীকার।
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মুন্সিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে শ্রীনগর উপজেলায় এক নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুন্সিগঞ্জের কৃতি সন্তান, বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেট সদস্য অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম। গণমিছিলে প্রধান বক্তা ছিলেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা একেএম ফখরুদ্দিন রাজি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম বলেন, আজকের বাংলাদেশ বৈষম্য, দুর্নীতি ও অনিয়মের ভারে ন্যুব্জ। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য একটি নৈতিক ও ন্যায়ভিত্তিক পথ বেছে নেওয়া জরুরি। তিনি বলেন, দাঁড়িপাল্লা কেবল একটি নির্বাচনী প্রতীক নয়; এটি সত্য ও মিথ্যার ওজন মাপার প্রতিশ্রুতি এবং শক্তিশালী ও দুর্বল সবার জন্য একই ন্যায়ের অঙ্গীকার।
তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া। এই ভোট স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিক শাসনের প্রতি জনগণের দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ করে। আজকের একটি সঠিক ভোট আগামীর প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারে। তাই ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবাইকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে মাওলানা একেএম ফখরুদ্দিন রাজি বলেন, অন্যায়-অবিচার, দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠাই আজকের দিনের অঙ্গীকার হওয়া উচিত। বিজয়ের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সত্য, ন্যায় ও ইনসাফের পথে এগিয়ে যাওয়ার শপথ নিতে হবে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের শিখিয়েছে অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার দৃঢ়তা।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিটি স্তরে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জামায়াতে ইসলামী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মানবিক মর্যাদা, সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই শপথের মধ্য দিয়েই একটি ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
গণমিছিলে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে মিছিলটি সম্পন্ন হয়।