মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের পায়তারা অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এছাড়াও সম্পত্তি নিয়েআদালতে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। এতে প্রতিপক্ষ স্হানীয় প্রভাবশালীদের নিয়ে দখলের মরিয়া হয়ে উঠেছে।

জানা গেছে, টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারংটঙ্গীবাড়ি ইউনিয়নের আমতলি মৌজার আরএস৬০৭, ৬০৯, ৬১১, ৬১২, ৬১৩, ৬৪১ ৬১৭ নং দাগে মোট ১৫০.৫০ শতাংশের জমির মালিক মো. মফিজ উদ্দিন শেখ গংরা। তাদের প্রতিপক্ষ বিনু আক্তার মোকসেদা বেগম গংরা দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে সম্পত্তি ভোগদখল করছে। এখন আরও সম্পত্তি দখলের পায়তারা করছে।আর জাল জালিয়াতির জন্য আদালতে ভুক্তভোগীদের করা দলিল বাতিলের মামলা চলমান রয়েছে।

আরও জানা গেছে, ১৯৯৩ সালে মফিজ উদ্দিন শেখ কাজের জন্য সৌদি আরবে যান। পরে প্রতিপক্ষরা স্হানীয়দেরযোগসাজোগে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দখল করেন দলিল সম্পাদনা করেন।

ভোক্তভূগী মো. মফিজ উদ্দিন শেখ (৬৮) বলেন, আমি প্রবাসে থাকাকালীন ওরা আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি জাল দলিল করেনেন। পরে আমরা সালিশির মাধ্যমে জমি বুঝিয়া নেই। দলিল বাতিলের মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। এখন স্হানীয়প্রভাবশালীদের যোগসাজশে দখল করতে পায়তারা করছে।

স্হানীয় ফারজানা আক্তার বলেন, এই জায়গা মফিজ উদ্দিন কাকাদের। এখন মোকশেদা বিনুরা মানুষ নিয়ে এসে দখলেরপায়তারা করছে। কয়দিন আগে মারামারি করছে।

আরেক স্হানীয় মজিদ উদ্দিনের চাচাতো ভাই আজিজুল শেখ বলেন, এই জমি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি, আমার চাচাতোভাইয়েরা মালিক। ওরা আমাকে মারছে। আমার পায়ে কোপ দিয়েছে জমি নিয়ে। ওরা রাতের আধারারে জমির খুঁটি গুলোউঠিয়ে ফেলছে।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিনু আক্তারের মোবাইল ফোনে কল করলে তিনি বলেন, আমি সম্পত্তি কিনেছি। দখলেরপায়তারা করছি না। আপনার দলিল বাতিলের মামলা আদালতে চলমান এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমিও মামলাকরছি। কোন দখল করছি না।

বিষয়ে টঙ্গীবাড়ি থানা (ওসি) মহিদুল ইসলাম জানান, আমার বিষয় কোন তথ্য জানা নেই। কেউ অভিযোগ করলেব্যবস্হা নেয়া হবে।