আপনি ফেসবুক/অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজারে আছেন — এখানে প্রিন্ট বা ডাউনলোড কাজ নাও করতে পারে।
উপরের ⋮ বা ••• মেনু থেকে “ব্রাউজারে খুলুন” চাপুন।
Chrome-এ খুলুন
শনিবার ৩১ জানুয়ারি ২০২৬১৭ মাঘ ১৪৩২

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য স্থান চূড়ান্ত

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য স্থান চূড়ান্ত
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য স্থান চূড়ান্ত

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে একটি স্থান চূড়ান্ত করেছে। শেরেবাংলা নগরে গণভবনের পাশেই এই বাসভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু করতে চায় গণপূর্ত অধিদপ্তর।

নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণে আনুমানিক দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। এই সময়ের মধ্যে অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ অথবা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের বাসভবনকে প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। বিষয়টি নির্ভর করবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ওপর। তিনি চাইলে স্পিকারের বাসভবনের সঙ্গে সংলগ্ন ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনও যুক্ত করে দেওয়া হবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর দেশ পাবে নতুন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে দীর্ঘদিন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল শেরেবাংলা নগরের গণভবন। তবে জুলাই অভ্যুত্থানের পর ভবনটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়। বর্তমানে জাদুঘর তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে।

প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন যে এলাকায় নির্মিত হচ্ছে, তাতে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের নকশায় কোনো ব্যত্যয় হবে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে স্থাপত্য অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলরা এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৬২ সালে সংসদ ভবনসহ একটি পরিকল্পিত এলাকা গড়ে তোলার নকশা প্রণয়নের জন্য মার্কিন স্থপতি লুই আই কানকে শেরেবাংলা নগরে ২০৮ একর জমি দেওয়া হয়। ১৯৭৩ সালে তিনি এই নকশা চূড়ান্ত করেন। লুই আই কানের মূল নকশায় সংসদ ভবনের আশপাশের এলাকায় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন, হাসপাতাল, লেক ও প্রচুর সবুজের সমারোহ রাখার পরিকল্পনা ছিল।

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণে গঠিত কমিটি তিনটি সম্ভাব্য স্থানের ওপর আলোচনা করে। স্থানগুলো হলো: ১. গণভবনের উত্তর-পশ্চিম পাশে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সংলগ্ন ১৮ একর জমি। ২. বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের উন্মুক্ত স্থান। ৩. আগারগাঁও-শ্যামলী সড়কের দক্ষিণ পাশে সংসদ ভবনের কর্মচারীদের পুরোনো কোয়ার্টার এলাকা।